

বৃহস্পতিবার ● ২০ মার্চ ২০২৫
প্রথম পাতা » আঞ্চলিক » আশাশুনির আইতলার দাড়ার খাল জলমহলের ইজারা বাতিলের আবেদন
আশাশুনির আইতলার দাড়ার খাল জলমহলের ইজারা বাতিলের আবেদন
আশাশুনি : আশাশুনির কুল্যা ইউনিয়নের আইতলা মৌজার দাড়ার খাল জলমহলের ইজারা বাতিলের দাবীতে আবেদন করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার ও এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে।
কুল্যা ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ছাকি পলাশ, ইউপি সদস্যবৃন্দ, এলাকার বহু মানুষের গণ স্বাক্ষরকৃত ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বরাবর ২৪ ফেব্রুয়ারী তারিখ আবেদন এবং ২ মার্চ তারিখে জেলা প্রশাসক বরাবর প্রেরিত স্মারক লিপিতে জানাগেছে, আইতলা মৌজায় বিআরএস ১ নং খতিয়ানে বিভিন্ন দাগে ২১.৭১০০ একর জমি নিয়ে জলমহল রয়েছে। জলমহলে দাড়ার খাল, আইতলা বজরা খাল, বরশীষ খাল ও মহাজনপুর খাল আছে। এসব খালের মধ্যে মহাজনপুর খাল উন্মুক্ত আছে। বাকী খাল জলমহল প্রতি বছর ইজারা প্রদান করা হয়ে থাকে। এই খাল দিয়ে এলাকার অর্ধ লক্ষাধিক বিঘা জমির মৎস্য ঘের ও ফসল চাষের জমি ও জনবসতিপূর্ণ গ্রামের পানি পুটিমারী স্রুইস গেট দিয়ে বেতনা নদীতে নিস্কাশিত হয়ে থাকে। কিন্তু ইজারা গ্রহিতারা জলমহলে আড়াআড়ি মাটির বাঁধ ও অসংখ্য নেট পাটা দিয়ে আটকে রাখায় পানি নিস্কাশনে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। ফলে শুস্ক মৌসুমে প্রয়োজনীর পানির অভাব এবং বর্ষা মৌসুমে পানি নিস্কাশন করতে না পেরে ঘেরভেড়ী ডুবে একাকার ও ফসল বিনষ্ট হয়ে থাকে। সাথে সাথে নিচু বাড়ি ঘর, রাস্তাঘাট ও অন্যান্য স্থাপনা পানির চাপে ব্যবহার কঠিন হয়ে পড়ে।ইজারা মূল্যে সরকারি কোষাগারে যে টাকা জমা হয়ে থাকে তার থেকে কয়েকগুণ বেশী সম্পদের ক্ষতি হয়ে থাকে ইজারার কারনে। জলমহলটি ইজারা না দিতে এবং পূর্বের ইজারা বাতিলের দাবী জানিয়ে আবেদন করা হয়। আবেদনকারীরা ইউএনও ও এসি (ল্যান্ড) অফিসে বারবার যান এবং সরেজমিন গিয়ে সমস্যা দেখে ব্যবস্থা নেবেন বলে তাদেরকে জানান হয়। কিন্তু এখনো অভিযোগ তদন্ত করা হয়নি। এলাকার শত শত ভুক্তভোগি মানুষ হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়েছে। এলাকার মৎস্য চাষী, ধান ও অন্যান্য ফসল চাষী কৃষক, সাধারণ মানুষ জলমহলটি উন্মুক্ত রেখে জনভোগান্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জোর দাবী জানিয়েছেন।