শিরোনাম:
পাইকগাছা, শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১

SW News24
সোমবার ● ২১ মে ২০১৮
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » হারাতে বসেছে তেঁতুলিয়া’র মিয়া মসজিদের ঐতিহ্য
প্রথম পাতা » ইতিহাস ও ঐতিহ্য » হারাতে বসেছে তেঁতুলিয়া’র মিয়া মসজিদের ঐতিহ্য
৬০৩ বার পঠিত
সোমবার ● ২১ মে ২০১৮
Decrease Font Size Increase Font Size Email this Article Print Friendly Version

হারাতে বসেছে তেঁতুলিয়া’র মিয়া মসজিদের ঐতিহ্য

 ---

এস ডব্লিউ নিউজ।

অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন সাতক্ষীরা জেলার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ। কালের বিবর্তনে সেটি ধীরে ধীরে মিয়া মসজিদ নামে পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু বর্তমানে যথাযথ পরিচ্ছন্নতার অভাবে সৌন্দর্য্য হারিয়েছে প্রায় দুই শতাব্দীর পুরানো প্রাচীন ঐতিহ্যের স্বাক্ষী এ মসজিদটি।

অনুমান করা হয়, মোঘল আমলে তৎকালীন মুসলিম জমিদার কাজী সালামতুল্লাহ খান বাহাদুর এটি নির্মাণ করেছিলেন। তৎকালীন বিহারের এক বাসিন্দা মসজিদটির নকশা ও কারুকাজের জন্য প্রধান মিস্ত্রির দায়িত্বে ছিলেন। মসজিদের গায়ে লাগানো একটি প্লেটে উল্লেখ রয়েছে, মসজিদটি ১৮৫৮-৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা খান বাহাদুর মৌলভী কাজী সালামতউল্লাহ। যেটি মোঘল মনুমেন্টস অব বাংলাদেশ নামক গ্রন্থে প্রকাশিত তথ্য দ্বারা প্রমাণিত।

এক একর জমির উপর মসজিদটি নির্মিত। মসজিদের উত্তর পার্শ্বে প্রায় দুই একরের এক বিশাল দিঘি রয়েছে। দিঘির পানি কখনও শুকায় না। দিঘিটিই সত্যিকারের অর্থে মসজিদটির সৌন্দর্য্য আজও ধরে রেখেছে। মসজিদটিতে সর্বমোট ৭টি দরজা রয়েছে। ১৫ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট ৬টি বড় গম্বুজ ও ৮ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট ১৪টি মিনার রয়েছে। এছাড়া চার কোণে ২৫ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট ৪টি মিনার রয়েছে।
শোনা যায়, মসজিদটির নির্মাণ শেষে প্রধান সেই কারিগরের দুই হাত কেটে নেয়া হয়। যেন তিনি নতুনভাবে অন্য কোনো স্থানে এই নকশা বা আকৃতির মসজিদ নির্মাণ করতে না পারেন। মসজিদটির সৌন্দর্য্য দেখে এ গল্প একেবারে উড়িয়েও দেয়া যায় না। কিন্তু বর্তমানে যথাযথ পরিচ্ছন্নতার অভাবে সৌন্দর্য্য হারিয়েছে প্রায় দুই শতাব্দীর পুরানো প্রাচীন ঐতিহ্যের স্বাক্ষী এ মসজিদটি।

মসজিদের বাউন্ডারি এলাকায় বহু অজানা ব্যক্তিদের কবরের চিহ্ন থাকলেও সেগুলোও অরক্ষিত। মসজিদের বিভিন্ন পার্শ্বের দেওয়ালগুলোতে এখন ফাটল ধরেছে। সংরক্ষণ আর সংস্কার না করা হলে কালের বিবর্তনের হারিয়ে যাবে মসজিদটি।

মসজিদের কেয়ারটেকার নূরুল ইসলাম বলেন, প্রতিদিনই লোকজন আসেন বিভিন্ন জায়গা থেকে। সবার নাম লিপিবদ্ধ করে রাখি। মসজিদটি সংস্কার বা সৌন্দর্য্য ধরে রাখতে কেউ কোনো উদ্যোগ নেয়নি আজও।





ইতিহাস ও ঐতিহ্য এর আরও খবর

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাইকগাছা ক্যাম্পাস বিজ্ঞানী পিসি রায়ের নামে নামকরণের দাবি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাইকগাছা ক্যাম্পাস বিজ্ঞানী পিসি রায়ের নামে নামকরণের দাবি
অযত্ন- অবহেলায় মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মামার বাড়ি অযত্ন- অবহেলায় মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের মামার বাড়ি
মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া গ্রামের ধনপোতা ঢিবিতে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু মণিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া গ্রামের ধনপোতা ঢিবিতে প্রত্নতাত্ত্বিক খনন শুরু
মাগুরায় হারিয়ে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি মাগুরায় হারিয়ে যাচ্ছে মুক্তিযুদ্ধের বধ্যভূমি
পাইকগাছার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প মৃতপ্রায় ; প্রয়োজন সরকারি পৃষ্টপোষকতা পাইকগাছার ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প মৃতপ্রায় ; প্রয়োজন সরকারি পৃষ্টপোষকতা
হারিয়ে যাচ্ছে কবি কাজী কাদের নওয়াজের শেষ স্মৃতি চিহ্ন হারিয়ে যাচ্ছে কবি কাজী কাদের নওয়াজের শেষ স্মৃতি চিহ্ন
চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের জন্মশতবর্ষ পালিত চিত্রশিল্পী এসএম সুলতানের জন্মশতবর্ষ পালিত
চুকনগর বদ্ধভূমি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে : গণপূর্তমন্ত্রী চুকনগর বদ্ধভূমি সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে : গণপূর্তমন্ত্রী
ঔপন্যাসিক নীহার রঞ্জন গুপ্তের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত ঔপন্যাসিক নীহার রঞ্জন গুপ্তের ১১৩তম জন্মবার্ষিকী পালিত
খুলনায় গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাবাষির্কীতে আলোচনা সভা সঠিক ইতিহাস যেন বিকৃত না হয়  -খুলনায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী খুলনায় গণহত্যা-নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘরের প্রতিষ্ঠাবাষির্কীতে আলোচনা সভা সঠিক ইতিহাস যেন বিকৃত না হয় -খুলনায় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী

আর্কাইভ

পাঠকের মন্তব্য

(মতামতের জন্যে সম্পাদক দায়ী নয়।)